প্রতিটি ধাপে আলতো ট্যাপ করে এগিয়ে যান। এতে প্রায় তিন মিনিট সময় লাগবে, পিরিয়ডের কয়েক দিন পর পরীক্ষাটি করা সবচেয়ে ভালো।
আয়নার সামনে হাত দুটি স্বাভাবিকভাবে ছেড়ে দিয়ে দাঁড়ান এবং স্তনের আকার বা ত্বকে কোনো পরিবর্তন আছে কি না তা খেয়াল করুন।
দুই হাত মাথার ওপর তুলুন এবং চামড়ায় কোনো ভাঁজ, টোল পড়া বা অসমান ভাব আছে কি না তা আবার পরীক্ষা করুন।
হাতের তালু সমান রেখে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে প্রতিটি স্তন আলতোভাবে স্পর্শ করে পরীক্ষা করুন।
শুয়ে পড়ে একইভাবে পুনরাবৃত্তি করুন, এতে স্তনের টিস্যুগুলো সমানভাবে ছড়িয়ে পড়বে এবং পরীক্ষা করা সহজ হবে।
প্রতিটি নিপল আলতোভাবে চাপ দিন এবং কোনো অস্বাভাবিক স্রাব বা তরল বের হচ্ছে কি না তা খেয়াল করুন।
সময়মতো নির্ণয় জীবন বাঁচায়: প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে ব্রেস্ট ক্যানসার সম্পূর্ণরূপে নিরাময়যোগ্য, তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা রাখাই আপনার সেরা সুরক্ষা।
প্রাথমিক অবস্থায় চিহ্নিত করতে পারলে এর চিকিৎসা অনেক সহজ ও সফল হয়। নিচের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:
জিনগত বা বয়সজনিত কারণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলেও দৈনন্দিন জীবনযাত্রার কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে ঝুঁকি অনেক কমানো সম্ভব:
শরীরের প্রদাহ কমাতে এবং কোষ সতেজ রাখতে পুষ্টিকর খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে: